আমরা বিশ্বাস করি যে মজাদার গেমিং মানেই ঝুঁকি বা অবিশ্বাস নয়। viibet তৈরি হয়েছে এমন একটি জায়গা হিসেবে যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড় নিরাপদ বোধ করেন, সৎ পরিবেশে খেলতে পারেন এবং দ্রুত পেআউট পান।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং আনন্দদায়ক অনলাইন গেমিং পরিবেশ পৌঁছে দেওয়া। আমরা চাই প্রতিটি খেলোয়াড় যেন অনুভব করেন যে এই প্ল্যাটফর্মটা তাঁর নিজের — শুধু ব্যবসার জন্য তৈরি কোনো জায়গা নয়।
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা স্থানীয় গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া — যেখানে প্রযুক্তি, বিশ্বাসযোগ্যতা এবং মানবিক স্পর্শ একসাথে থাকে। আমরা চাই viibet শুধু একটা বেটিং সাইট না হয়ে, বাংলাদেশের গেমারদের জন্য একটা কমিউনিটি হোক।
২০১৮ সালের দিকে বাংলাদেশে অনলাইন গেমিংয়ের জগৎটা ছিল বেশ অগোছালো। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইন্টারফেস ইংরেজিতে, পেমেন্ট পদ্ধতি বাংলাদেশের সাথে মেলে না। টাকা তুলতে গেলে দিনের পর দিন অপেক্ষা। সাপোর্টে কথা বললে ভাষা বুঝতে পারেন না। এই সমস্যাগুলো নিজে ভোগ করার পরেই একদল তরুণ উদ্যোক্তা সিদ্ধান্ত নেন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য বাংলাদেশি একটা প্ল্যাটফর্ম বানাতে হবে।
সেই ভাবনা থেকেই ২০১৯ সালে viibet-এর যাত্রা শুরু। প্রথমদিকে শুধু স্পোর্টস বেটিং নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল, তারপর ধীরে ধীরে ক্যাসিনো গেমস, লটারি, লাইভ ডিলার — সব যুক্ত হয়েছে। প্রতিটা সিদ্ধান্তে মাথায় রাখা হয়েছে একটাই প্রশ্ন: এটা কি বাংলাদেশের সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাজনক?
viibet-এর পুরো টিম জানে বাংলাদেশের ইন্টারনেট পরিস্থিতি সবসময় আদর্শ না। গ্রামে-গঞ্জে ৩জি নেটওয়ার্কে অ্যাপ ব্যবহার করতে হয়, ফোনের RAM কম, ডেটা সাশ্রয় করে চলতে হয়। এই কারণেই viibet অ্যাপের সাইজ ছোট রাখা হয়েছে, লোডিং টাইম কমানো হয়েছে এবং অফলাইন মোড রাখা হয়েছে।
পেমেন্টের ক্ষেত্রেও একই চিন্তা। বিকাশ, নগদ, রকেট — এগুলো এখন বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তাই viibet শুরু থেকেই এই পেমেন্ট গেটওয়েগুলো যুক্ত করেছে। ক্রেডিট কার্ড না থাকলেও চলে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও চলে।
অনলাইন গেমিংয়ে সবচেয়ে বড় ভয় হলো — টাকা দিয়ে জিতলে ফেরত পাব তো? viibet এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে কাজের মাধ্যমে। আমাদের উইথড্রয়াল প্রক্রিয়া গড়ে ৫ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়। কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অদ্ভুত শর্ত নেই।
আমাদের গেমগুলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সফটওয়্যার প্রদানকারীদের তৈরি — Pragmatic Play, Evolution Gaming, Spribe-এর মতো কোম্পানির গেম আছে আমাদের কাছে। এই গেমগুলোর Random Number Generator তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক নিয়মিত পরীক্ষা করা হয়।
viibet-এ দায়িত্বশীল গেমিং একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা বিশ্বাস করি গেমিং আনন্দের জন্য, সমস্যার জন্য নয়। তাই ডিপোজিট লিমিট, সেলফ-এক্সক্লুশন — এই সব সুবিধা আমাদের প্ল্যাটফর্মে আছে।
একদল বাংলাদেশি প্রযুক্তি উদ্যোক্তা viibet-এর ভিত্তি গড়েন। শুধু স্পোর্টস বেটিং নিয়ে শুরু, প্রথম মাসেই ৫,০০০ সদস্য।
Evolution Gaming-এর লাইভ ডিলার গেমস যুক্ত হলো। বিকাশ ও নগদ পেমেন্ট ইন্টিগ্রেশন চালু হলো — এটাই গেম চেঞ্জার হয়ে উঠল।
Android ও iOS অ্যাপ একসাথে লঞ্চ হলো। প্রথম তিন মাসে ৫০,০০০ ডাউনলোড। গ্রামীণ ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছানো শুরু হলো।
সাপ্তাহিক লটারি ড্র ও Aviator-স্টাইল ক্র্যাশ গেমস যুক্ত হলো। প্ল্যাটফর্মে মোট সদস্য ১ লাখ ছাড়িয়ে গেল।
সম্পূর্ণ নতুন UI, দ্রুততর সার্ভার এবং বাংলা ভাষায় কাস্টমার কেয়ার টিম শক্তিশালী হলো। "বেস্ট বাংলাদেশি গেমিং প্ল্যাটফর্ম" পুরস্কার পেল viibet।
৫ লাখ নিবন্ধিত সদস্য, ৫০০+ গেম ও বেটিং মার্কেট। v4.2 অ্যাপ লঞ্চ হলো নতুন ফিচার নিয়ে। viibet এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে পরিচিত অনলাইন গেমিং নাম।
শুধু কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করেছি। এই বৈশিষ্ট্যগুলোই viibet-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে তোলে।
256-bit SSL এনক্রিপশন, KYC যাচাই এবং দুই-স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।
গড়ে ৫ মিনিটের মধ্যে বিকাশ বা নগদে টাকা পাঠানো হয়। কোনো লুকানো ফি নেই, কোনো অস্বাভাবিক অপেক্ষা নেই।
২৪ ঘণ্টা ৭ দিন বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট। যেকোনো সমস্যায় মাতৃভাষায় সাহায্য পাবেন — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।
দুর্বল নেটওয়ার্কেও মসৃণ অভিজ্ঞতা। ৩জিতেও লাইভ গেম চলে, ব্যাটারিও কম খরচ হয়। বাংলাদেশের ফোন ব্যবহারকারীর কথা ভেবে তৈরি।
ওয়েলকাম বোনাস, রিলোড বোনাস, ক্যাশব্যাক এবং রেফারেল প্রোগ্রাম — প্রতিটি সদস্যের জন্য পুরস্কার আছে viibet-এ।
সব গেমের RNG তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক অডিট করা। অডস সবসময় প্রদর্শিত থাকে, কোনো কারসাজি নেই — এটা আমাদের মূলনীতি।
আমাদের টিমে আছেন প্রযুক্তি, গেমিং, ফিনটেক এবং কাস্টমার সার্ভিসের অভিজ্ঞ পেশাদাররা — বেশিরভাগই বাংলাদেশি।
viibet-এ যে গেমগুলো পাবেন সেগুলো বিশ্বের সেরা গেম ডেভেলপারদের তৈরি। এই কোম্পানিগুলোর গেম আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও নিরীক্ষিত।